বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন

News Headline :
পাবনায় মৃত ব্যাক্তির নামে বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলার অভিযোগ পত্র তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ পুনঃ তদন্তের দাবি বদলগাছীতে প্রশাসনের আয়োজনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী পালিত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নৌকা বাইসকে কেন্দ্র করে হামলা ১৫ জন আহত ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপশাখা কমিটি ঘোষনা পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীতে রাতের আঁধারে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব পাবনার সাঁথিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নিহত কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণ চেক প্রদান পাবনায় পলিথিন কারখানায় অভিযান পলিথিন জব্দ জরিমানা আদায় ও কারখানা বন্ধ  রাসিকের ইতিহাসে প্রথমবার রুয়েট শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ ফুলপুরে মাদ্রাসার প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ

মায়ের মৃত্যুতে অজ্ঞান পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে পৌঁছে দিলেন পানছড়ির ওসি

Reading Time: < 1 minute

আব্দুল্লাহ আল মামুন, খাগড়াছড়ি:
খাগড়াছড়ির পানছড়ি সাঁওতাল পাড়ায় মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে অজ্ঞান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে পৌঁছে দিলেন পানছড়ি থানার ওসি আনচারুল করিম।শনিবার(১৭ সেপ্টেম্বর)
ভোর সাড়ে ৪টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন মা। জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বিছানায় শয্যাশায়ী ছিলেন এই মা।
অন্যদিকে, আজ মেয়ের সুমাইয়া আকতারের এসএসসি বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা। মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে অজ্ঞান হয় বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের মেধাবী এই শিক্ষার্থী।
মর্মান্তিক এই ঘটনার খবর পান পানছড়ি থানার ওসি আনচারুল করিম। তাৎক্ষনিক তিনি তাকে তার নিজস্ব গাড়িতে সেলাইন দেওয়া অবস্থায় মানসিক সাপোর্ট ও উৎসাহ দিয়ে পরীক্ষার সেন্টারে নিয়ে যান। চাপা কষ্ট বুকে নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় সুমাইয়া আক্তার।
পানছড়ি সরকারি  মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বেলি চাকমা বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তারকে আমি শান্ত হয়ে পরীক্ষায় উত্তরপত্র করার জন্য মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছি। কোন রকম অসুবিধা চোখে পড়েনি। আমরা সর্বক্ষণ তার দিকে দৃষ্টি রেখেছি।পানছড়ি থানার  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আনচারুল করিম বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ঘটনা। এই মেয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থী। আজকেই তার মা মারা গেছে। মেয়েটা হসপিটালে ছিল। আমি নিজেই গিয়ে মেয়েটাকে স্যালাইন লাগানো অবস্থায় নিজের গাড়িতে করে পরীক্ষা শুরু হওয়ার ৫মিনিট পর দ্রুত কেন্দ্রে পৌছে দেই। পরীক্ষার টেবিলে নিজেই বসিয়ে দিয়ে আসি। দুই জন পুলিশ সার্বক্ষণিক তার পাশে থাকার ব্যবস্থা করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Design & Developed BY Hostitbd.Com